শিরোনাম :
‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’

বিদেশিদের কাছে যানবাহন ভাড়া দিলে কঠোর ব্যবস্থা, সতর্কবার্তা সেলাঙ্গর জেপিজে’র

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

মালয়েশিয়ার স্থানীয় যেসব যানবাহন মালিকরা আইন অমান্য করে বিদেশি নাগরিকদের অর্থাৎ প্রবাসীদের কাছে গাড়ি বা মোটরসাইকেল ভাড়া দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সেলাঙ্গর রাজ্যের সড়ক পরিবহন বিভাগ-জেপিজে। এখন থেকে বিদেশিদের কাছে অবৈধভাবে যানবাহন ভাড়া দিলে মালিকদের কোনো ধরনের সতর্কবার্তা দেওয়া হবে না। সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেপিজে।

​সেলাঙ্গর রাজ্যের জেপিজে-র ডেপুটি ডিরেক্টর দাতুক আহমদ কামারুজ্জামান মেহাত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বারবার সতর্ক করা এবং অভিযান চালানো সত্ত্বেও পুরো রাজ্য জুড়ে এই অবৈধ চর্চা ব্যাপকভাবে চলছে।

​এছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্থানীয়রা দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক চুক্তিতে প্রবাসীদের কাছে মোটরসাইকেল ভাড়া দিচ্ছেন বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। এই যানবাহনগুলো ব্যবহার করে প্রবাসীরা মূলত বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য, খাবার সরবরাহ, গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহন এবং ভাঙারি মালামাল সংগ্রহের মতো কাজ করছেন, যা আইনগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এবং সড়ক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, অনেক বিদেশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া যানবাহন চালাচ্ছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে এসব যানবাহন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জেপিজের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সেলাঙ্গরে ‘বিদেশি চালক অভিযান’ এর আওতায় ২৩৯ জন বিদেশি চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে কর্তৃপক্ষ ৩০৪টি যানবাহনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে, যার মধ্যে ৯৫টি যানবাহন তদন্তের জন্য জব্দ করা হয়েছে। প্রধান অপরাধগুলোর মধ্যে ছিল বৈধ কম্পিটেন্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটর ভেহিকল লাইসেন্স, ভোকেশনাল লাইসেন্স এবং বীমা ছাড়া যানবাহন চালানো।

এ ধরনের কর্মকাণ্ড মালয়েশিয়ার সড়ক পরিবহন আইন, ১৯৮৭ অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। বিশেষ করে আইনটির ধারা ১০৯ অনুযায়ী যানবাহনের মালিকরাও দায়ী থাকবেন।

এ অবস্থায় জেপিজে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ধরা পড়লেই সরাসরি মামলা এবং প্রয়োজনে যানবাহন জব্দ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »