শিরোনাম :
ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ২৬ জন নিহত, সহায়তার জন্য অপেক্ষারতদের উপর হামলার অভিযোগ

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

গাজা সিটি:  গাজা সিভিল ডিফেন্স সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা ও গুলিতে অন্তত ২৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জনই খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় হামলার শিকার হন।

সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসসাল এএফপিকে জানান, গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চল খান ইউনিসে সহায়তা সংগ্রহের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় আটজন ইসরায়েলি গুলিতে নিহত হন। এছাড়া কেন্দ্রীয় গাজায় একটি খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় আরও ছয়জন নিহত এবং ২১ জন আহত হন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এএফপিকে জানিয়েছে, তারা এই ঘটনাগুলোর তদন্ত করছে।

গাজার অনেক এলাকায় সাংবাদিক প্রবেশে বাধা এবং নিরাপত্তাজনিত জটিলতার কারণে স্বতন্ত্রভাবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রতিদিন হাজার হাজার গাজাবাসী বিভিন্ন খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে জড়ো হন, যার মধ্যে চারটি পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (GHF)। এই কেন্দ্রগুলোতে সহায়তা নিতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর প্রায় ২২ মাস পরেও গাজায় খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানিসহ জরুরি পণ্যের প্রবেশে কড়াকড়ি থাকায় মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় হাসপাতালগুলো জেনারেটরের ওপর নির্ভর করছে।

বাসসাল জানান, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি তাঁবুতে রাতে চালানো বিমান হামলায় পাঁচজন নিহত হন। আল-মাওয়াসিকে যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েল একটি “নিরাপদ অঞ্চল” হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আদহাম ইউনুস বলেন, “তারা বলে এটা গ্রিন জোন, নিরাপদ। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। তারা বলে সহায়তা নেওয়া নিরাপদ, কিন্তু মানুষ মারা যাচ্ছে সহায়তা নিতে গিয়েই।”

তিনি আরও বলেন, “গাজার কোথাও কোনো নিরাপত্তা নেই। প্রতিটি মানুষ মৃত্যুর মুখোমুখি, প্রতিটি মানুষ আহত হওয়ার ঝুঁকিতে।”

মাহমুদ ইউনুস নামের আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “আমরা নারীদের চিৎকার শুনেছিলাম  তারা রক্তে ভেসে যাচ্ছিল। পুরো পরিবার আহত হয়েছে।”

বাসসাল আরও জানান, গাজা সিটির কাছাকাছি একটি হামলায় ছয়জন এবং খান ইউনিসের কাছে আরেকটি হামলায় একজন নিহত হন।

এদিকে, হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ গাজার ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত মোরাগ করিডোরে অবস্থিত একটি ইসরায়েলি কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।

গাজা জুড়ে যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় মানবিক পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে, আর বেসামরিক নাগরিকেরা প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকিতে পড়ছেন।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »