কুয়ালালামপুর: রাজধানীর কেপং এলাকায় সংঘটিত একাধিক সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।
ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট Ahmad Ruzaini Ahmad Dahalan (৪১) এবং তার পাঁচ সহযোগী আব্দ সামাত শারী, ফারিদজুয়ান ইয়াহইয়া, লিম চিয়াল কেই, ইওহ চুন সিয়াং ও এল. জিজায়েন্দ্রন—বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা অভিযোগে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে ভুক্তভোগীদের মধ্যে মৃত্যুভয় সৃষ্টি করে সংঘবদ্ধ ডাকাতি সংঘটিত করেছেন। এ অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে Firearms (Increased Penalties) Act 1971 এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে ৩০ থেকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ছয় বেত্রাঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে।
এছাড়া Ahmad Ruzaini Ahmad Dahalan-এর বিরুদ্ধে পৃথকভাবে দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির আরেকটি অভিযোগ আনা হয়েছে, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড ও বেত্রাঘাত।
গত ৫ এপ্রিল ভোর ৪টা থেকে সকাল ৮টা ১০ মিনিটের মধ্যে কুয়ালালামপুরের দেসা পার্কসিটি আবাসিক এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময় ও স্থানে অপর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধেও অনুরূপ তিনটি করে অভিযোগ আনা হয়েছে।
গুরুতর অপরাধ হওয়ায় আদালত কোনো আসামিকেই জামিন দেয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ মে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, ১০ এপ্রিল কুয়ালালামপুর পুলিশের প্রধান Fadil Marsus জানান, কেপং এলাকায় সংঘটিত ধারাবাহিক সশস্ত্র ডাকাতির মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় প্রায় ৪.৪ মিলিয়ন রিঙ্গিতের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তদন্তে জানা গেছে, ডাকাত চক্রটি তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি, একটি সেফ, নগদ ২৪,২০০ রিঙ্গিত, ১,২০০ মার্কিন ডলার, স্বর্ণালংকার এবং দুটি স্বর্ণের বার লুট করে নিয়ে যায়।