শিরোনাম :
ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু

কুয়ালালামপুরে গোপন হুন্ডি নেটওয়ার্কের অভিযোগ: কোতারায়া থেকে বুকিত বিনতাং পর্যন্ত ছায়া অর্থ লেনদেনের বিস্তার!

ওয়াহিদ সোহান: বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

কুয়ালালামপুর :  রাজধানীর কয়েকটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা ঘিরে অনানুষ্ঠানিক অর্থ স্থানান্তর বা “হুন্ডি” নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

কোতারায়া, মসজিদ ইন্ডিয়া, হ্যাং তুয়া এবং বুকিত বিনতাং এলাকার কিছু ব্যবসা ও লেনদেন কেন্দ্রকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়ন্ত্রিত আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসব স্থানে নগদ অর্থ নির্ভর দ্রুত লেনদেন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাঠানোর একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল গড়ে উঠতে পারে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, এই নেটওয়ার্কটি ছোট ছোট এজেন্ট ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যেখানে ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অর্থ আদান–প্রদান করা হতে পারে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত অভিযোগ বা বড় পরিসরের অভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এসেছে যে, কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় নগদ লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের ধরন সাধারণ ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। এই কারণেই নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হুন্ডি বা অনানুষ্ঠানিক অর্থ স্থানান্তর ব্যবস্থা শুধু অর্থপাচারের ঝুঁকি নয়, বরং রাষ্ট্রীয় আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার বাইরেও একটি সমান্তরাল অর্থনীতি তৈরি করতে পারে।

একজন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, “এ ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারণত ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেই গড়ে ওঠে, যেখানে নগদ অর্থ প্রবাহ বেশি এবং লেনদেন দ্রুত সম্পন্ন হয়।”

তবে কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টিকে তদন্ত পর্যায়ে রেখেছে এবং বলছে, প্রমাণ ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করা যাবে না।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তদন্ত শেষে যদি কোনো অবৈধ অর্থ লেনদেন বা মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »