শিরোনাম :
ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু

ইমিগ্রেশনে দুর্নীতির অভিযোগ: মালয়েশিয়ায় ১০ কর্মকর্তাসহ ৩৩ জন রিমান্ডে

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগে ১০ জন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাসহ মোট ৩৩ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন।

শনিবার (১১ জুলাই) এমএসিসি জানায়, রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তা, সরকারি কর্মচারী, সাধারণ নাগরিক এবং বিদেশি রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ নথি ছাড়া বিদেশিদের মালয়েশিয়ায় অবস্থানের সুযোগ করে দেওয়া, সামাজিক ভিজিট পাসের অপব্যবহারের মাধ্যমে কাজের অনুমতি দেওয়া এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

এমএসিসির গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের কার্যালয় যৌথভাবে ‘অপ লেয়ার’, ‘অপ দালাং’, ‘অপ রেইডার’ ও ‘অপ জেনুইন’ নামে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে আটক করে।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, পুত্রজায়ায় ছয়জনকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। শাহ আলমে ১৪ জনকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চার দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। সেরেম্বানে পাঁচজনকে চার দিন, দুজনকে পাঁচ দিন এবং আরও দুজনকে এক দিনের রিমান্ডে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মেলাকার আয়ের কেরোহ আদালত চারজনকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন।

এমএসিসির একটি সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও আটজন নারী। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। চারটি পৃথক এমএসিসি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হওয়ার পর সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে তাদের আটক করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে তারা ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অন্তত ১০ জন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা ঘুষের বিনিময়ে ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি। এছাড়া নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে ভিসা, পাস ও পারমিট অনুমোদনেরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটার আবেদন অনুমোদনের জন্য মিথ্যা তথ্যসংবলিত নথি জমা দেওয়ার ঘটনাও তদন্তে এসেছে।

গত বছরের জুন থেকে শুরু হওয়া গোয়েন্দা অভিযানে চারটি অঙ্গরাজ্যে বিদেশিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মোট ৪৩ জনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। একই অভিযানে প্রথমে ৩৮ জনকে আটক করা হলেও প্রাথমিক তদন্ত শেষে পাঁচজনকে এমএসিসির জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »