শিরোনাম :
MACC, Petronas Reaffirm Partnership to Strengthen Integrity, Fight Corruption SNT Group Malaysia Donates 120 Laptops to Children of PERKEP Members পুলিশ পরিবারের সন্তানদের জন্য মালয়েশিয়ায় ১২০ ল্যাপটপ দিল এসএনটি গ্রুপ Malaysia’s 2027 Budget to Prioritise Inclusive Growth, People’s Well-being: Anwar ২০২৭ সালের বাজেটের সুফল মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিশ্চিত করতে হবে: আনোয়ার ইব্রাহিম হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি, আলোচনা চললেও বাড়ছে উত্তেজনা বিজিএমইএর দাবির পর দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ তারেক রহমানের মালয়েশিয়ায় জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করার অভিযোগে শ্রীলঙ্কান নিয়োগকর্তা গ্রেপ্তার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সুশাসন জোরদারে চার দফা সুপারিশ এমএসিসি’র ইসরায়েলিদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মার্কিন চাপ প্রত্যাখ্যান আনোয়ার ইব্রাহিমের

বিহারে নির্বাচন: ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ তকমায় কোণঠাসা মুসলমানরা

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫

ভারতের বিহার রাজ্যে আগামী ৬ ও ১১ নভেম্বর দুই ধাপে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণা হবে ১৪ নভেম্বর। নির্বাচনের আগে সীমান্তবর্তী মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে বাড়ছে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা।

বিশেষ করে কিষানগঞ্জ ও কাটিহার জেলার শেরশাহবাদি মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। কারণ—বিভিন্ন বিজেপি নেতার বক্তব্যে তাদের “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী” বলে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সম্প্রদায়ের প্রতি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি বিজেপির নেতা জিতেনরাম মাঝি এক নির্বাচনী সমাবেশে দাবি করেন, “শেরশাহবাদি মুসলমানরা বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছে।”

এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান স্থানীয় শিক্ষক মুখতার আলম (ছদ্মনাম)। পরে তিনি নিজেই ট্রলের শিকার হন—“তোমরাই তো বাংলাদেশি”—এই মন্তব্যে।

তিনি বলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষ শত শত বছর ধরে এই মাটিতে আছে। এখন আমাদের পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।”

এদিকে ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের “স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন” (SIR) প্রক্রিয়ার সময় মুসলিম ভোটারদের বৈষম্যের মুখে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। কিষানগঞ্জ ও কাটিহারের বেশ কয়েকটি এলাকায় বহু মুসলিম ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

এক স্থানীয় সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, বাদ পড়া ভোটারদের অধিকাংশই মুসলমান, যাদের “নাগরিকত্ব প্রমাণে অতিরিক্ত কাগজপত্র” দিতে বলা হয়েছে।

ধর্মীয় উত্তেজনা শুধু রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ নয়—প্রভাব পড়ছে সামাজিক জীবনে।এক সময় যেখানে হিন্দু-মুসলিম শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে পড়াশোনা করত, এখন মুসলিম পরিচালিত স্কুলে হিন্দু ছাত্রের সংখ্যা প্রায় শূন্য।

এক শিক্ষক বলেন, “আগে উৎসবে আমরা সবাই একসঙ্গে থাকতাম। এখন মনে হয়, আমাদের আলাদা করে ফেলা হচ্ছে।”

বিশ্লেষকদের মতে- রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী” তকমা ব্যবহার করে মুসলমানদের ভোটাধিকার ও নাগরিক অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। এতে নির্বাচন ঘিরে ভয় ও বিভাজন আরও গভীর হচ্ছে।

তারা বলছেন, “ধর্ম ও পরিচয়ের রাজনীতি” এখন বিহারের নির্বাচনী বাস্তবতার অংশ হয়ে উঠেছে—যেখানে একটি সম্প্রদায়কে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে, শুধুমাত্র তাদের পরিচয়ের কারণে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »