ব্রুনাই: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পবিত্র কুরআন অধ্যয়নের প্রতি আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নুজুলুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ব্রুনাইয়ের প্রিন্স আব্দুল মতিন জোর দিয়ে বলেছেন যে কুরআন নতুন প্রজন্মকে জ্ঞান, প্রজ্ঞা এবং জীবন পরিচালনার দিকনির্দেশনা প্রদান করে, যা তাদের শিক্ষার ও আত্মিক যাত্রাকে সমৃদ্ধ করছে।
অনেকের কাছে কুরআন শেখা শুধুই ধর্মীয় দায়িত্ব নয়, এটি আজীবনের এক শিক্ষাযাত্রা। প্রতিটি আয়াত মানুষকে নৈতিকতা, জীবনের লক্ষ্য এবং ব্যক্তিগত উন্নতির দিক নির্দেশনা দেয়, ফলে শিক্ষার্থীরা আত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সমৃদ্ধ হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কুরআনের চিরন্তন আবেদন এর সার্বজনীন প্রাসঙ্গিকতায় নিহিত, এটি বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা এবং সমাজের মানুষের জন্য সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। আজ বিশ্বের বিভিন্ন মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কুরআন শিক্ষাকে আরও বিস্তৃত করছে, যাতে আরও বেশি মানুষ কুরআনের তিলাওয়াত, তাফসির ও অর্থ শেখার সুযোগ পায়।
গবেষকরা বলছেন যে, কুরআন মানুষকে চিন্তাশীল হতে, জ্ঞান অর্জন করতে এবং নৈতিকভাবে জীবন পরিচালনা করতে উৎসাহিত করে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা কুরআনের শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে জীবনের গভীর অর্থ ও দিক খুঁজে পান।
আধুনিক প্রযুক্তি কুরআন শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য করে তুলেছে। মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন ক্লাস এবং ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ সহজেই কুরআন অধ্যয়ন করতে পারছে।
ধর্মীয় নেতারা বলছেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে কুরআন শেখার এই আগ্রহ তাদের বিশ্বাস, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করছে। এই বিশ্বব্যাপী আগ্রহ প্রমাণ করে যে কুরআন কেবল একটি ধর্মগ্রন্থ নয়, বরং এটি এমন এক চিরন্তন পথপ্রদর্শক যা যুগে যুগে মানুষের হৃদয় আলোকিত করছে।