বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সংকটকে কেন্দ্র করে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। একই সঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, সীমান্ত হত্যা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসংস্থান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে ‘জাতীয় বাজেটে তারুণ্যের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব মন্তব্য করেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীসহ অন্য বক্তারা।
সেমিনারে আসিফ মাহমুদ বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ালে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে নিত্যপণ্যের বাজারে। এতে দ্রব্যমূল্য আরও বেড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদিকে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী কর্মসংস্থান সংকট নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, তরুণদের যথাযথভাবে দক্ষ করে না তুলতে পারলে এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি করতে ব্যর্থ হলে তা দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন যদি আবারও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর চেষ্টা করে, তাহলে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন।
এ সময় সাম্প্রতিক সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী দাবি করেন, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে কার্যত সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দেয়া হয়েছে, যা উদ্বেগজনক।
সেমিনারে অন্যান্যরা আরও বলেন, বিএনপি এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।