মালয়েশিয়ায় জ্বালানি ভর্তুকি ব্যবস্থায় নতুন পরিবর্তন আনছে সরকার। ডিজেলের ভর্তুকি আরও কার্যকর ও লক্ষ্যভিত্তিক করতে এবার সুবিধার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে আগে ভর্তুকির বাইরে থাকা কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও নতুন ব্যবস্থার আওতায় আসবেন।
আগামী ১ জুলাই থেকে দেশজুড়ে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হচ্ছে এই ডিজেল কর্মসূচি। এর আগে, পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু করে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি ও সিস্টেমের কার্যকারিতা যাচাই করছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য নাগরিকরা ভর্তুকি মূল্যে প্রতি লিটার ডিজেল কিনতে পারবেন। পরিচয় যাচাই করা হবে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা তেল কোম্পানির ডিজিটাল অ্যাপের মাধ্যমে।
সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জন্য যেন ভর্তুকি গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হয়, সেজন্য মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। দেশের ১০টি তেল কোম্পানি এবং চার হাজারের বেশি ফুয়েল স্টেশন ইতোমধ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত কিছু জিপ ও পিকআপ ধরনের ডিজেলচালিত যানও এবার ভর্তুকির সুবিধা পাবে। আগে এই সুবিধা সীমিত ছিল ব্যক্তি মালিকানাধীন যান বা নির্দিষ্ট শ্রেণির পরিবহন খাতের জন্য। সরকারের ভাষ্য, এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিচালন ব্যয় কিছুটা কমবে।
একই সঙ্গে পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহনের জন্য ডিজেল কোটাও নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে। এবার শুধু যানের ধরন নয়, ওজন, ইঞ্জিন সক্ষমতা, জ্বালানি ব্যবহারের ধরণ এবং পরিচালন পদ্ধতির মতো বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ভর্তুকির অপচয় কমিয়ে প্রকৃত ব্যবহারকারীদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য সরকারের।
সরকার বলছে, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ভর্তুকি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা এবং দেশের আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।