এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পুনর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন। একঃ তরুণ ছাত্রসমাজের কাছে ইসলামের আহ্বান পৌঁছিয়ে তাদের মাঝে ইসলামী জ্ঞান অর্জন এবং বাস্তব জীবনে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা।
ছাত্রশিবির অন্যান্য সকল সংগঠনের চেয়ে ব্যতিক্রম এর অন্যতম একটা কারণ হলো সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের অত্যন্ত কঠোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আলোকে আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য। অন্যান্য সংগঠনে যেখানে বিভিন্ন দিক থেকে ধান্ধাবাজি করার নিয়তে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হয়, সেক্ষেত্রে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশেষত্ব হলো, তাদের দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতিমাসেই একটা অঙ্কের অর্থ সংগঠনকে প্রদান করতে হয় (বায়তুল মাল )। তাদের সাবেক নেতাকর্মীরাও প্রতিমাসে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা প্রদান করে সংগঠন পরিচালনায় সহযোগিতা করে।
একেবারে সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ লাখ টাকার চেয়ে বেশিও দেয় অনেকে। যার যেমন সামর্থ্য সে তেমনভাবে কন্ট্রিবিউট করে। হিসেব যথাযথ ভাবে সংরক্ষণের জন্য ছবিতে দেওয়া এমন রশিদ দিয়েই তারা আর্থিক লেনদেন করে। যেই লেনদেনের উপর আবার মাসিক, ষান্মাসিক এবং বাৎসরিক একটা অডিট হয়।
একারণে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের টেম্পু স্টান্ড বলেন কিংবা ট্রাক স্টান্ডে গিয়ে চাঁদাবাজি কিংবা কারো থেকে জোরপূর্বক অর্থ ছিনিয়ে এনে সংগঠন পরিচালনা করা লাগেনা। যারা টেম্পু স্টান্ড দখল করে অবৈধ অর্থ উপার্জন করে তাদেরকে অবশ্য এসব বুঝাতে পারবেন না!
– ফেসবুকের ইনবক্স থেকে