শিরোনাম :
কালোতালিকাভুক্ত ১৩ বিদেশি অবৈধ পথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে আটক গোমবাকে নকল ফুটবল জার্সির গুদামে অভিযান, ৩ লাখ ৭৫ হাজার রিঙ্গিতের পণ্য জব্দ এআইভিত্তিক চাকরি সংযোগে জোর দিচ্ছে মালয়েশিয়া Malaysia boosts TVET with AI-powered job matching, allocates RM100m Powerhouse Selangor: state contributes 26.5pc of Malaysia’s GDP, eyes RM500b সাইবার ও সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়াতে চায় মালয়েশিয়া–ভারত সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে নতুন পদক্ষেপ, নেতৃত্বের এক বছর পূর্তি উদযাপন মালয়েশিয়ার সীমান্ত সংস্থার মালয়েশিয়ায় দুর্নীতি দমনে এআই ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদার মালয়েশিয়া–থাইল্যান্ড সীমান্তে অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের পরিকল্পনা জ্বালানি খাতে নিরাপত্তা, নেতৃত্ব ও সুশাসনে জোর দিলেন ব্রুনাইয়ের সুলতান

গোমবাকে নকল ফুটবল জার্সির গুদামে অভিযান, ৩ লাখ ৭৫ হাজার রিঙ্গিতের পণ্য জব্দ

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

মালয়েশিয়ার দেশীয় বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বিষয়ক মন্ত্রণালয় (কেপিডিএন) কুয়ালালামপুরের গোমবাক এলাকার কাম্পুং কেরদাসে একটি গোপন গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার ৫০০টি নকল ফুটবল জার্সি জব্দ করেছে। জব্দ করা জার্সিগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার রিঙ্গিত।

বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে ‘অপ তিরুয়ান’ অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একটি লোহার কারখানার পেছনে ভাড়া নেওয়া গুদামটি থেকে অনলাইনে নকল ফুটবল জার্সি বিক্রি করা হতো। অভিযান চলাকালে সেখানে ৩০–এর কোঠার এক ব্যক্তিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে নকল জার্সি বিক্রি করতে দেখা যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি জানান, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মাসে দুই হাজার রিঙ্গিত ভাড়ায় গুদামটি ব্যবহার করে আসছেন। এটি একই সঙ্গে পণ্য সংরক্ষণ, প্যাকেজিং এবং লাইভ বিক্রির স্টুডিও হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

কেপিডিএনের কুয়ালালামপুর পরিচালক মোহদ সাবরি সেমান জানান, জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের গোয়েন্দা নজরদারির পর এই অভিযান চালানো হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্ক মালিকদের প্রতিনিধিরাও সহায়তা করেন।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবল জার্সির চাহিদা বেড়েছে। এই সুযোগে কেউ যাতে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে নকল পণ্য বিক্রি করতে না পারে, সে জন্য নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ৩০–এর কোঠার তিনজন স্থানীয় ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ট্রেড মার্কস অ্যাক্ট ২০১৯–এর আওতায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নকল জার্সিগুলো কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে বিক্রি করা হতো। এর পেছনে আরও বড় কোনো সরবরাহ চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

কেপিডিএন জানিয়েছে, নকল পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অনুযায়ী, নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক জালিয়াতির দায়ে কোনো প্রতিষ্ঠান দোষী সাব্যস্ত হলে প্রতিটি নকল পণ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার রিঙ্গিত জরিমানার বিধান রয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »