শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড: আইনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান হরমুজ প্রণালীতে নতুন ‘নিয়ম’ ঘোষণা ইরানের, সব জাহাজে কঠোর নিয়ন্ত্রণ মিয়ানমার আউং সান সু চির সাজা কমাল, হাজারো বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা কুয়ালালামপুরে সশস্ত্র ডাকাতি মামলায় ডিএসপি সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৩টি ‘হটস্পট’ পেট্রোল স্টেশনে কড়া নজরদারি, জ্বালানি পাচার রোধে পুলিশের অভিযান জোরদার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ‘শেষের পথে’, বিশ্বকে ‘দুই অসাধারণ দিনের’ প্রস্তুতির আহ্বান ট্রাম্পের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সক্রিয় তুরস্ক, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান এরদোয়ানের পেনাংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২, জব্দ ৩ লাখ রিঙ্গিতের বেশি মূল্যের মাদক ও সম্পদ কুয়ালালামপুরে আটক মানবপাচার চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’১১১টি পাসপোর্ট, ১০টি ল্যাপটপ, ছয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার “মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে হুন্ডি চক্র ফের সক্রিয়, বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রভাবের শঙ্কা”

মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড: আইনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান

ওয়াহিদ সোহান: বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

কুয়ালালামপুর : মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া আইনত সীমাবদ্ধ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। দেশটির সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী রাজনৈতিক অধিকার মূলত শুধুমাত্র নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত।

মালয়েশিয়ার ফেডারেল সংবিধানের ১০(১)(বি) অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার কেবল নাগরিকদের জন্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে বিদেশিরা এই অধিকার ভোগ করতে পারেন না।

এছাড়া, পিসফুল অ্যাসেম্বলি এক্ট-২০১২ (Peaceful Assembly Act 2012) অনুযায়ী, কোনো অ-নাগরিক ব্যক্তি জনসমাবেশে অংশগ্রহণ বা তা আয়োজন করতে পারেন না। এই আইনের অধীনে বিদেশিদের রাজনৈতিক সমাবেশে অংশ নেওয়া সরাসরি আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হয়।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি নাগরিক যদি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেয়, তাহলে তা “পাবলিক অর্ডার” বা জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ইমিগ্রেশন এক্ট-১৯৫৯/৬৩ (Immigration Act 1959/63) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভিসা বাতিল, আটক কিংবা বহিষ্কার (deportation) করা হতে পারে। এই আইনের আওতায় সরকার যেকোনো বিদেশির অবস্থান বাতিল করতে পারে যদি তা দেশের নিরাপত্তা বা শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর মনে হয়।

অন্যদিকে, রাষ্ট্র বা সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিলে সেডিশন এক্ট ১৯৪৮ (Sedition Act 1948) এর আওতায়ও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই আইনে এমন বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় যা সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা বা অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মালয়েশিয়া বিদেশিদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, যাতে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ থাকে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »