শিরোনাম :
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে আয় বাড়বে, দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারীর মৃত্যু যাবজ্জীবন পাওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড    আজ রাতে ইরানে ‘খুব কঠোর আঘাত’ হানবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে হামলা ইরানের জাপান–মালয়েশিয়া শীর্ষ বৈঠক: নিরাপত্তা, অর্থনীতি, জ্বালানি ও এআই সহযোগিতা জোরদারে নতুন অঙ্গীকার গভীর রাতে ইরানে দফায় দফায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের কুয়ালালামপুরে ‘বাংলাদেশি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস মালয়েশিয়া ২০২৬’: প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাফল্য উদযাপন টোকিওতে বিজম্যাচ উদ্যোগ: মালয়েশিয়া-জাপান বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে ব্যাংক রাকইয়াতের নতুন পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে এআই উন্নয়ন থামানোর আহ্বান, কিন্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে উন্নত করতে সক্ষম প্রযুক্তির দিকে দ্রুত এগোচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

যাবজ্জীবন পাওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড   

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ব্যর্থ সামরিক আইন ঘোষণায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে ফের ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশের নির্দেশ দিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে এই রায় দিয়েছেন সিউলের একটি আদালত।

শুক্রবার (১২ জুন) দেয়া রায়ে আদালত বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে আন্তঃকোরীয় উত্তেজনা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইউন ড্রোন অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়, আদালত মনে করেছেন যে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি এবং সামরিক আইন জারির যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই এসব ড্রোন অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।

অভিযোগপত্রে প্রসিকিউটররা বলেন, ইউন সুক ইওল উত্তর কোরিয়াকে উসকানি দিতে এবং পিয়ংইয়ংয়ের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে দেশে সামরিক আইন জারির পক্ষে যুক্তি শক্তিশালী করতে ড্রোন অনুপ্রবেশের অনুমোদন দিয়েছিলেন।

ইয়োন এরই মধ্যে ২০২৪ সালের ব্যর্থ সামরিক আইন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিদ্রোহের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। এই নতুন ৩০ বছরের সাজা পৃথক ড্রোন অপারেশন মামলা তথা রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের রায়। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম নজিরবিহীন ঘটনা। এই রায়ের মাধ্যমে একজন সাবেক রাষ্ট্রপতিকে একই সঙ্গে বিদ্রোহ ও রাষ্ট্রদ্রোহ-সংশ্লিষ্ট মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »