পেতালিং জায়া: অবশেষে মালয়েশিয়ার ব্যাডমিন্টনের কিংবদন্তি দাতুক লি চং উই ফিরলেন ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অব মালয়েশিয়া (বিএএম)-এ। ২০১৯ সালে অবসর নেওয়ার পর দীর্ঘদিন তিনি সংস্থাটির বাইরে ছিলেন এবং বহুবার প্রস্তাব পেলেও ভদ্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
তবে শনিবার বিএএম সভাপতি তেংকু দাতুক সেরি জাফরুল আবদুল আজিজ সংস্থার উচ্চাকাঙ্ক্ষী পাঁচ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা “তাঙ্কিস ২০৩০” উন্মোচন করার পর চং উই সিদ্ধান্ত বদলান এবং স্বাধীন কাউন্সিল সদস্য হিসেবে ফেরার ঘোষণা দেন।
চং উই বলেন, “সত্যি বলতে আমি বিস্মিত হয়েছি পরিকল্পনার দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তারিত দিকগুলো দেখে। এর আগে কোনো বিএএম সভাপতির কাছ থেকে এমন রোডম্যাপ দেখিনি। মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে তিনি পরিষ্কার ভিশন দেখিয়েছেন এবং আমি বুঝতে পারছি তিনি আন্তরিকভাবে মালয়েশিয়ান ব্যাডমিন্টনকে উন্নত করতে চান। এ কারণেই আমি আমার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
“তাঙ্কিস ২০৩০” পরিকল্পনার পাঁচটি প্রধান লক্ষ্য:
২০২৬ সালে থমাস কাপ পুনরুদ্ধার।
লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ অলিম্পিকে মালয়েশিয়ার প্রথম স্বর্ণপদক জয়।
অন্তত তিনটি ইভেন্টে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর খেলোয়াড় তৈরি।
টেকসই চ্যাম্পিয়নশিপ পাইপলাইন নিশ্চিত করা।
ব্যাডমিন্টনকে সুস্থ মালয়েশিয়ার স্তম্ভে পরিণত করা।
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প “রোড টু থমাস কাপ” এর মাধ্যমে ৩৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী বছর ডেনমার্কের হরসেন্সে শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিএএমের ভীত মজবুত করতে তেংকু জাফরুল আরও তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে সঙ্গে এনেছেন— দাতুক সেরি শাহজালি রামলি (ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিং), তান স্রী গুই হো সুন (ফাইন্যান্স), এবং দাতুক সুনীল আব্রাহাম (লিগ্যাল)।
চং উইয়ের প্রত্যাবর্তনকে মালয়েশিয়ান ব্যাডমিন্টনের জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব “তাঙ্কিস ২০৩০” বাস্তবায়নে নতুন গতি যোগ করবে।