শাহীন শহরের বিশেষ বিমান চলাচল অঞ্চলে অনুষ্ঠিত এই ঐতিহাসিক ইভেন্টটি ছিল প্রায় দেড় দশকের জাতীয় প্রচেষ্টার ফসল। এটি প্রমাণ করে যে, বিমান নকশা ও উৎপাদনে ইরান এখন আত্মনির্ভরশীলতার পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের অধীনে থাকা ইরান এয়ারক্রাফট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (HESA) শক্তিশালী এই যমজ-ইঞ্জিন বিমানটি তৈরি করেছে। সিমোর্গের সর্বোচ্চ টেক-অফ ওজন ২১ হাজার ৫০০ কিলোগ্রাম, এটি ছয় হাজার কিলোগ্রাম পর্যন্ত কার্গো বহনে সক্ষম এবং একটানা প্রায় তিন হাজার ৯০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
বিমানটিতে দুটি ২৫০০ অশ্বশক্তির ইঞ্জিন যুক্ত রয়েছে এবং দ্রুত মালপত্র ওঠানামার সুবিধার জন্য এতে পিছনের লোডিং র্যাম্প সংযোজন করা হয়েছে। এর ফলে এটি লজিস্টিক সহায়তা, মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক পরিবহনের মতো বহু কাজে ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠেছে।







