জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় বিএনপির ’এক পরিবার এক প্রার্থী’ নীতি। দেশের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র নতুন নয়,বাবা কিংবা স্বামী ডাকসাইটে রাজনীতিবিদ। তাদের ছায়ায় কিছুটা আড়ালেই থাবেন ছেলে-মেয়ে কিংবা স্ত্রীরা। তবে অনেকে নিজের যোগ্যতায় উঠে এসেছেন রাজনীতির মাঠে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাপ করছেন বেশ কয়েকজন ছেলে-মেয়ে এবং স্ত্রী। তাদের বেশিরভাগই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
আপস
ফেব্রুয়ারির প্রথম অর্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ডিসেম্বরের মধ্যেই ঘোষণা হতে পারে তফসিল। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। ইতিমধ্যেই আসন বণ্টনের কাজ প্রায় শেষ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসনেও তৎপর রয়েছে দলটি। এবার আলোচনায় এসেছেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তবে বিএনপি তাদের নতুন নীতি বাস্তবায়ন করলে এবার বাদ পড়বেন ডজন খানেক প্রভাবশালী প্রার্থী।
আপস
আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান ও তার ছেলে ইরফান ইবনে আমান। স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, তার পুত্রবধূ নিপুণ চন্দ্র রায় চৌধুরী এবং নিপুণের বাবা ও ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস। যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও তার স্ত্রী শিরিন সুলতানা। বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ রবিন।
আপস
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান ও তার মেয়ে মাহরিন খান। সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ও তার ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল চৌধুরী মিন্টু ও তার ভাই আকবর হোসেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও তার ছেলে ইসরাফিল খসরু। ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ও তার ছেলে মীর হেলালউদ্দিন। এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ ও তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই পরিবারগুলো থেকে কেবল একজনকেই চূড়ান্তভাবে প্রার্থী করা হবে। ফলে বাদ পড়বেন প্রায় ডজন খানে আলোচিত নেতা।