শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড: আইনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান হরমুজ প্রণালীতে নতুন ‘নিয়ম’ ঘোষণা ইরানের, সব জাহাজে কঠোর নিয়ন্ত্রণ মিয়ানমার আউং সান সু চির সাজা কমাল, হাজারো বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা কুয়ালালামপুরে সশস্ত্র ডাকাতি মামলায় ডিএসপি সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৩টি ‘হটস্পট’ পেট্রোল স্টেশনে কড়া নজরদারি, জ্বালানি পাচার রোধে পুলিশের অভিযান জোরদার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ‘শেষের পথে’, বিশ্বকে ‘দুই অসাধারণ দিনের’ প্রস্তুতির আহ্বান ট্রাম্পের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সক্রিয় তুরস্ক, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান এরদোয়ানের পেনাংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২, জব্দ ৩ লাখ রিঙ্গিতের বেশি মূল্যের মাদক ও সম্পদ কুয়ালালামপুরে আটক মানবপাচার চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’১১১টি পাসপোর্ট, ১০টি ল্যাপটপ, ছয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার “মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে হুন্ডি চক্র ফের সক্রিয়, বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রভাবের শঙ্কা”

পাঁচবার সংসদ সদস্য হলেন কুমিল্লার বর্তমান ও সাবেক তিন মন্ত্রী

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৪
পাঁচবার সংসদ সদস্য হলেন কুমিল্লার বর্তমান ও সাবেক তিন মন্ত্রী
পাঁচবার সংসদ সদস্য হলেন কুমিল্লার বর্তমান ও সাবেক তিন মন্ত্রী

পাঁচবার করে সংসদ সদস্য হয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সাবেক রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। আজ রোববার অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁরা পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী হন।

তিনজনের মধ্যে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে মো. তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই) আসনে আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসন থেকে মো. মুজিবুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে মো. তাজুল ইসলাম, আ হ ম মুস্তফা কামাল ও মো. মুজিবুল হক জয়ী হন। এর মধ্যে মো. মুজিবুল হক ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর হুইপ হন। এরপর তিনি ২০১৩ সালে রেলপথমন্ত্রী হন। আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৪ ও ২০১৮ সালে যথাক্রমে পরিকল্পনামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হন। আর তাজুল ইসলাম ২০১৯ সালে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হন।

এই তিনজন জেলা আওয়ামী লীগেরও গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে আছেন। এদের মধ্যে আ হ ম মুস্তফা কামাল কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, মো. তাজুল ইসলাম একই কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও মো. মুজিবুল হক সাধারণ সম্পাদক।
মো. মুজিবুল হক এ পর্যন্ত আটবার আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করেন। এর মধ্যে ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ২০০১ সালে পরাজিত হন। মো. তাজুল ইসলাম ও আ হ ম মুস্তফা কামাল ছয়বার নির্বাচন করে ২০০১ সালে পরাজিত হন।

সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনটি সংসদীয় আসনে উন্নয়নমূলক কাজ হওয়ায় নৌকার প্রার্থীরা জয়ী হন সহজেই। তার ওপর বিএনপি নেই নির্বাচনে, শক্ত কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিল না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা আমাকে হারাতে পারেনি। চৌদ্দগ্রামের মানুষ কৃষকের সন্তানকে রায় দিয়েছেন উন্নয়ন কাজের জন্য। এই জয় চৌদ্দগ্রামবাসীর।’

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন ও সংগঠন শক্তিশালী হওয়ার কারণে পঞ্চমবারের মতো জয় হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, শেখ হাসিনার ব্যাপক উন্নয়নের কারণে নৌকার জয় হয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »