রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারশিবিরের কিছু তথ্য হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছে। আর এ জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়েছে। যদিও ইরানকে দায়ী করার পেছনে সরাসরি কোনো তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
ট্রাম্পের প্রচারশিবিরের এমন অভিযোগের আগেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এ–সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, বেনামি একটি উৎস থেকে গত জুলাই হতে তারা ই–মেইল পেতে শুরু করে। যাতে ট্রাম্পের প্রচারশিবিরের কর্মকাণ্ডের অভ্যন্তরীণ ও প্রকৃত কিছু তথ্য ছিল। ই-মেইলে ট্রাম্পের রানিং মেট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্সের ‘সম্ভাব্য দুর্বলতা’ নিয়েও তথ্য ছিল বলে জানিয়েছে পলিটিকো।
রয়টার্সের পক্ষ থেকে ট্রাম্প শিবিরের অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাদের উদ্দেশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘ। তবে জাতিসংঘে ইরানের মিশন বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়। কখনোই এতে হস্তক্ষেপ করে না ইরান।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক আগে থেকেই উত্তেজনাকর। ২০২০ সালে ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট, তখন ইরানের সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করে নেন ট্রাম্প।