এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ ফুটবল দল তার গ্রুপ পর্যায়ে ঘরের মাঠে হংকংয়ের বিপক্ষে ৪-৩ গোল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। এই পতন শিকারের পর এখন দলের সামনে হংকংয়ের মাটিতে দুই ম্যাচে জিততে হবে—বাকি তিন ম্যাচেই ভুল না হওয়া অত্যাবশ্যক।
পরাজিত লীগ শেষে দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেন,
“এখনো শেষ নেই — আমাদের হাতে তিনটি ম্যাচ আছে, প্রতিটিতেই জিততে হবে। আমরা পুরো ম্যাচে সতর্ক থাকব।”
তিনি আরও যোগ করেন, “ম্যাচে মনোযোগ হারিয়ে ফেলাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল।”
ম্যাচে হামজা চৌধুরী একটি গুরুত্ববহ ভূমিকা পালন করেছেন। রহমান ও জামালদের সঙ্গে মিলিয়ে তিনি মাঠে ছিলেন এগিয়ে টিমলাইন বদলাতে সক্ষম। হংকং যাত্রার আগে হাসিমুখে ক্যাম্পে প্রস্তুতিসহ ছবি তোলা হয় যা এক ধরনের আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন।
হামজার বক্তব্য ছিল, “এখন অপরাজিত সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সমর্থকদের ধন্যবাদ, আমরা ইনশাল্লাহ এবার ভালো কিছু করব।”
‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের অবস্থান এখন তলানিতে — ১ পয়েন্ট নিয়ে। হংকং শীর্ষ, ৭ পয়েন্ট; সিঙ্গাপুর দ্বিতীয়, ৫ পয়েন্ট। ভারত তৃতীয় হিসেবে আছে। বাংলাদেশের জন্য গ্রুপ সেরা হওয়া প্রায় অসম্ভব হলেও, বাকি ম্যাচ গুলোতে জয়ে নিরুপায় ছুটি আটকে রাখা।
বাংলাদেশকে গ্রুপ এড়িয়ে বা অন্য কোনো স্থানে যেতে হলে ৩ ম্যাচই জিততে হবে — একটি ম্যাচে অন্তত এক পয়েন্টও ব্যর্থ হলে বিদায় নিশ্চিত হবে। জামাল নিজেই স্বীকার করেছেন, পুরো ম্যাচে মনোযোগ ধরে রাখতে পারেননি — এই দিকটি ভবিষ্যতের ম্যাচের জন্য শোধরানো জরুরি হবে।একাদশ নির্বাচন ও পরিবর্তন কৌশল: কোচ কাবরেরা যারা প্রবাসী খেলোয়াড়দের নিয়ে পরিকল্পনা করেছেন (যেমন শোমিত, ফাহামিদুল, জায়ান) — তাদের মাঠের অবস্থা ও সময়ানুযায়ী খেলানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।মানসিক দৃঢ়তা: বাড়তি চাপ ও শেষ মুহূর্ত গোল খাওয়া — এই প্রবণতা বন্ধ করার জন্য মানসিক শক্তি লাগবে।