শিরোনাম :
গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে কুয়ালালামপুরে মালয়েশীয়দের বিক্ষোভ মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ কাম্পার ও কুয়ালা কাংসারে পৃথক ক্যাবল চুরির মামলায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ এয়ার ইটাম সশস্ত্র সংঘর্ষ: পেনাং এবং সেলাঙ্গরে অভিযানের পর গ্রেপ্তার আরও ১০ ACC to seek UAE data on Dubai assets of 73 Bangladeshis ইন্দোনেশিয়ায় মালয়েশীয় সহকারী পাইলট গ্রেফতার: দেশজুড়ে অভিযানে ৬ সহযোগী আটক মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ৯৯% কেবিন ক্রু মাদকমুক্ত: পরীক্ষা সম্পন্ন মালয়েশিয়ায় বিমানবন্দর নিরাপত্তায় বড় উদ্যোগ, নতুন নিয়মে কড়াকড়ি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার রাজার সাক্ষাৎ

কুরবানিতে ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু অবিক্রীত, বড় গরু মালিকদের হতাশা

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬

ঈদুল আজহার কোরবানির হাট শেষ হয়ে এলেও দেশের বিভিন্ন পশুর হাট থেকে এখনো ট্রাকে ট্রাকে ফিরছে অবিক্রীত গরু। রাজধানীর গাবতলী, কমলাপুর, দিয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন অস্থায়ী হাটে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বড় গরুর সারি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ক্রেতার অভাবে লোকসান গুনে অনেক খামারি ও ব্যবসায়ী গরু বিক্রি করলেও, অনেকে আবার বাধ্য হয়ে অবিক্রীত পশু ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার। এর মধ্যে ১ কোটির কিছু বেশি পশু কুরবানি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে প্রায় ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু অবিক্রীত রয়ে গেছে।

খামারি ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, বড় গরুর চাহিদা কমে যাওয়া এবং সীমান্ত দিয়ে ভারত ও মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ করায় বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও কাদাময় হাট পরিস্থিতি বিক্রিকে আরও জটিল করে তোলে।

মানিকগঞ্জ থেকে গাবতলী হাটে ৫০টি গরু নিয়ে আসা ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিক্রি করতে পেরেছি মাত্র ১৮টা। বাকিগুলো ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে। এবার আমরা গরুর সঙ্গে নিজেরাও কুরবানি হয়ে গেছি।’

বগুড়া সদর থেকে ২৫টি গরু নিয়ে আসা খামারি মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সব গরুই বড় ছিল। সবগুলোই লোকসানে বিক্রি করেছি। যে গরুর পেছনে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, সেটি ঢাকায় এনে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে।’

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি নিলয় হোসেন বলেন, মানুষের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়, ফলে কুরবানি কিছুটা কমেছে। তার ভাষায়, বড় গরুর বাজার প্রায় ভেঙে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের ৯৮ শতাংশ কুরবানিতে ছোট গরু ব্যবহৃত হয়, যা মূলত প্রান্তিক খামারিরা উৎপাদন করেন। বড় করপোরেট খামারগুলোর উৎপাদন ব্যয় বেশি হওয়ায় তারা ছোট গরুর উৎপাদনে যায় না।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহজামান খান বলেন, এখনও কুরবানি হওয়া পশুর চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুত হয়নি। মাঠপর্যায় থেকে তথ্য আসছে।

 

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »