শিরোনাম :

ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগংয়ের বৃত্তি পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

মালয়েশিয়ার রাজা ও ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং সুলতান ইব্রাহিম ২০২৬ সালের বিয়াসিসওয়া ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং (বিওয়াইডিপিএ) বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাজধানী কুয়ালালামপুরের ইস্তানা নেগারায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি ১৪ জন শিক্ষার্থীর হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার সরকারি সেবা বিভাগের মহাপরিচালক তান শ্রী ওয়ান আহমাদ দাহলান আবদুল আজিজ, রাজকীয় পরিষদের প্রধান তান শ্রী সাইয়েদ দানিয়াল সাইয়েদ আহমাদ এবং সরকারি সেবা বিভাগের মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক দাতো জামালুলাইল আবু বকর।

এ বছর সাতজন শিক্ষার্থীকে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) এবং সাতজনকে গবেষণাভিত্তিক স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যায়ে এই বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।

পিএইচডি পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন— আফিফাহ জুলকিফলি (ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া—পুষ্টিবিজ্ঞান), আইমান জাকুয়ান আজমান (ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া—ফার্মাকোলজি ও ফার্মেসি), চুয়া হুই চি (ইউপিএম—গণিত ও পরিসংখ্যান), গিরুন ইজোদ (ইউপিএম—পুষ্টিবিজ্ঞান), হাইমন ফ্র্যাঙ্কলিন (ইউকেএম—জীববিজ্ঞান), লি ইউ শি (ইউনিভার্সিটি মালয়া—ক্যাটালাইসিস) এবং ওয়েওয়েন লোহ চ্যাং ইউয়ান (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য—ইমিউনোলজি)।

গবেষণাভিত্তিক স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন— ফাতিনি আমিরুল হাজিক আজওয়ান (ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন—জীববিজ্ঞান), চ্যান লের ই (ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন—ফার্মাকোলজি ও ফার্মেসি), ক্রিস ই জিয়া ওয়েন (ইউএসএম—জেনেটিকস অ্যান্ড হেরেডিটি), মোহাম্মদ ইজুওয়ানসাহ ইশাক (ইউপিএম—পরিবেশ), মুহাম্মদ জুলহুসনি চে রাজালি (ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন—পরিবেশ) এবং পুতেরি নাজিহাহ আতিরাহ জামরিফানা (ইউপিএম—ভেটেরিনারি সায়েন্স)।

মালয়েশিয়ার সরকারি সেবা বিভাগের অধীন বিয়াসিসওয়া ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং দেশটির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাবৃত্তি। ২০০৬ সালে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় শুধু একাডেমিক সাফল্য নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রম, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী অবদানের ভিত্তিতেও শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২৩৯ জন মালয়েশীয় নাগরিক এই বৃত্তি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১২৪ জন পিএইচডি এবং ১১৫ জন গবেষণাভিত্তিক স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী।

মালয়েশিয়া সরকার বলছে, উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে কৌশলগত খাতে বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »