ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলার উদ্দেশ্যে কুপিয়ানস্ক অঞ্চলে ১ লাখ সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। পাশাপাশি ৯০০ ট্যাঙ্ক ও ৩৭০টিরও বেশি এমএলআরএস মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার সের্হি চেরেভাতি। সোমবার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন তথ্য জানিয়েছেন।
সের্হি চেরেভাতি বলেন, শত্রুরা লাইমান-কুপিয়ানস্কের দিকে জড়ো হতে শুরু করেছে। আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলতে আকাশ পথে হামলার পাশাপাশি পদাতিক সৈন্য মোতায়েন করেছে। রাশিয়া এই অঞ্চল দখলে নিতে চায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সের্হি চেরেভাতি বলেন, রুশ বাহিনীর কিছু সাফল্য তো অন্তত দেখাতে হবে। এ জন্য তারা এখন কুপিয়ানস্ক দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ অঞ্চল দখলের জন্য এখন তারা সম্ভাব্য সব কিছুই করবে।
রুশ বাহিনী বাখমুত থেকে পিছু হটেছে বলেও দাবি করেন তিনি। সের্হি বলেন, রুশ সেনারা বাখমুত থেকে সরে যাচ্ছে। সেখানে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।
ইউক্রেন সেনাদের আক্রমণ থামাতে রাশিয়া একের পর এক প্যারাট্রুপার পাঠাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন সের্হি চেরেভাতি। তিনি বলেন, শত্রুরা ব্যাপক আকারে নিহত হচ্ছে। তারা প্রতিদিনই নতুন করে সেনা মোতায়েন করছে।
সের্হি চেরেভাতি বলেন, আমরা আমাদের বাহিনী ও জনগণকে রক্ষা করার জন্য সর্বোচ্চ সতকর্তা অবলম্বন করছি।
আরও পড়ুন…সেনাবাহিনীর আকার বাড়াচ্ছে রাশিয়া
এদিকে সোমবার ইউক্রনের ক্রিমিয়া সেতুতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক দম্পতির নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছে ওই দম্পতির মেয়ে। কারা এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তবে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র নাটালিয়া হুমেনিউক বলেছেন, ক্রিমিয়া সেতুর ঘটনা মস্কোর পক্ষ থেকে উস্কানিমূলক কাজ হতে পারে।