আবারও আকাশে ফিরছে ‘ব্লাড মুন’। আগামী ৩ মার্চ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ ধারণ করবে রক্ত-লাল আভা, যা বরাবরই আকাশপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। চাঁদের এই রঙ বদলের পেছনে রয়েছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও আলোর বিচ্ছুরণের এক অভিনব বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
আর এটিই এই গ্রহণকে করে তুলেছে আরও বিশেষ কিছু। বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাঁদের কক্ষপথ ও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বিশেষ অবস্থানের কারণেই এবার এমন ব্যতিক্রমী দৃশ্যের সৃষ্টি হবে।
পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান নেয় পৃথিবী। এতে সূর্যের সরাসরি আলো চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বিশাল এক লেন্সের মতো কাজ করে সূর্যের আলোকে বাঁকিয়ে পৃথিবীর প্রান্ত ঘুরিয়ে চাঁদের দিকে পাঠায়।
এ প্রক্রিয়াকে রেলি স্ক্যাটারিং বলা হয়। আর এই কারণে দিনের আকাশ নীল আর সূর্যাস্ত লাল দেখায়। বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে আলো অতিক্রম করার সময় ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল ও বেগুনি আলো ছড়িয়ে যায়। দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল আলো তুলনামূলকভাবে অক্ষত থেকে চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছে, ফলে চাঁদ রক্তিম আভা ধারণ করে। এ কারণেই একে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।