শিরোনাম :
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন ও আদালতের আদেশের ওপর নির্ভর করছে চাকরিচ্যুতদের ভাগ্য ছাত্রলীগ-ছাত্রদল যারাই আসুক, এনসিপিতে পদবি হবে ‘সংগঠক’: নাহিদ জ্বালানি তেলের ২০-২৩ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালির ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান : নিরাপত্তা পরিষদ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যই মূল চাবিকাঠি : উপপ্রধানমন্ত্রী জাহিদ হামিদি গাজীপুরে ছাত্রশিবিরের দুই দিনব্যাপী “সাথী শিক্ষাশিবির–২০২৬” সম্পন্ন হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা চরমে: ইরানি গানবোটের গুলিবর্ষণ, আবারও কঠোর নিয়ন্ত্রণ জারি মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড: আইনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান হরমুজ প্রণালীতে নতুন ‘নিয়ম’ ঘোষণা ইরানের, সব জাহাজে কঠোর নিয়ন্ত্রণ মিয়ানমার আউং সান সু চির সাজা কমাল, হাজারো বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা

পাঁচবার সংসদ সদস্য হলেন কুমিল্লার বর্তমান ও সাবেক তিন মন্ত্রী

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৪
পাঁচবার সংসদ সদস্য হলেন কুমিল্লার বর্তমান ও সাবেক তিন মন্ত্রী
পাঁচবার সংসদ সদস্য হলেন কুমিল্লার বর্তমান ও সাবেক তিন মন্ত্রী

পাঁচবার করে সংসদ সদস্য হয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সাবেক রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। আজ রোববার অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁরা পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী হন।

তিনজনের মধ্যে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে মো. তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই) আসনে আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসন থেকে মো. মুজিবুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে মো. তাজুল ইসলাম, আ হ ম মুস্তফা কামাল ও মো. মুজিবুল হক জয়ী হন। এর মধ্যে মো. মুজিবুল হক ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর হুইপ হন। এরপর তিনি ২০১৩ সালে রেলপথমন্ত্রী হন। আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৪ ও ২০১৮ সালে যথাক্রমে পরিকল্পনামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হন। আর তাজুল ইসলাম ২০১৯ সালে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হন।

এই তিনজন জেলা আওয়ামী লীগেরও গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে আছেন। এদের মধ্যে আ হ ম মুস্তফা কামাল কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, মো. তাজুল ইসলাম একই কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও মো. মুজিবুল হক সাধারণ সম্পাদক।
মো. মুজিবুল হক এ পর্যন্ত আটবার আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করেন। এর মধ্যে ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ২০০১ সালে পরাজিত হন। মো. তাজুল ইসলাম ও আ হ ম মুস্তফা কামাল ছয়বার নির্বাচন করে ২০০১ সালে পরাজিত হন।

সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনটি সংসদীয় আসনে উন্নয়নমূলক কাজ হওয়ায় নৌকার প্রার্থীরা জয়ী হন সহজেই। তার ওপর বিএনপি নেই নির্বাচনে, শক্ত কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিল না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা আমাকে হারাতে পারেনি। চৌদ্দগ্রামের মানুষ কৃষকের সন্তানকে রায় দিয়েছেন উন্নয়ন কাজের জন্য। এই জয় চৌদ্দগ্রামবাসীর।’

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন ও সংগঠন শক্তিশালী হওয়ার কারণে পঞ্চমবারের মতো জয় হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, শেখ হাসিনার ব্যাপক উন্নয়নের কারণে নৌকার জয় হয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »