টানা চার দফা মূল্যবৃদ্ধির পর দেশের বাজারে সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন এই দাম কার্যকর থাকবে।
তবে গহনার নকশা ও মানভেদে শ্রমমূল্য আলাদাভাবে যোগ হবে। সোনা ও রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে বাজুস।
গহনা বিনিময় ও পুরোনো গহনা কেনাবেচার ক্ষেত্রেও বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা বহাল থাকবে। তবে এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট, শ্রমমূল্য ও পাথরের দাম প্রযোজ্য হবে না।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনার দাম ১০৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫ বার দাম বেড়েছে, ৫২ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাটের কারণে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
রুপার দামও কমল
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। প্রতি ভরি রুপার দাম কমেছে ১৭৫ টাকা।
নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৫ হাজার ৩০৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৬৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ বার বেড়েছে এবং ৩১ বার কমেছে।