আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারির দাবি জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচিতে একথা বলেন তিনি। সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনা
জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের স্মৃতিচারণ “প্রেরণার গণঅভ্যুত্থান ২০২৪” অনুষ্ঠিত চব্বিশ এর এই বিপ্লবের প্রত্যাশা সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করা । বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “অন্তবর্তীকালীন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন,সংবিধান রাফ খাতা নয়, যে ছুঁড়ে ফেলবো ‘শহীদের রক্তের বিনিময়ে লেখা সংবিধান, সেই সংবিধানকে যখন কবর দেয়ার কথা বলা হয়। তখন কিন্তু আমাদের কষ্ট
আগামীর বাংলাদেশকে তরুণদের হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা: শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সাড়ে ১৫ বছর আমরা দফায় দফায় অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কিন্তু সেই
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মু. তাহের বলেছেন, “ইতিহাস বলে ফ্যাসিবাদ বিদায় হলে আর ক্ষমতায় ফিরে আসেনা। এ দেশেও সেটা হবেনা ইনশাআল্লাহ। বিভ্রান্ত হওয়ার
‘জনশক্তি’ নামে কোনো রাজনৈতিক দল নিয়ে আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। ভুল তথ্যে বিভ্রান্ত না হতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় নাগরিক কমিটির
অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে একটি জাতীয় ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সেই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলেও
জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ইস্পাত কঠিন ঐক্য চাইলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের আকাশে কালো মেঘ জমেছে। দেশের আকাশে কালো শকুন দেখা যাচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বৈঠকে দেশের চলমান পরিস্তিতি বিবেচনায় দুই পক্ষই জাতীয় ঐক্যের কথা বলেছেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনায় সবাইকে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর কর্মকান্ডে ক্রমেই মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংগঠন, সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেওয়ার মত যোগ্য