শিরোনাম :
ভাড়াটে বাবা’ চক্রের মাধ্যমে নাগরিকত্ব জালিয়াতি: থাইল্যান্ডে ৪৬টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ২০২৭ সাল থেকে ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয় জ্বালানি সমন্বয় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা: উপপ্রধানমন্ত্রী ফাদিল্লাহ ইউসুফ ব্যালন ডি’অরে কারা জিতলেন কোন পুরস্কার, দেখে নিন এক নজরে পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধার লাশ দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় নাহিদ ইসলামের নিন্দা সীতাকুণ্ডে লরি চাপায় নিহত ৫, আহত ৪ রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইরানের নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে মক্কা জোটের বৈঠকের আসল উদ্দেশ্য কী, জানালো সৌদি আরব ইরানে আজ হামলা হচ্ছে না: ট্রাম্প

গোমবাকে নকল ফুটবল জার্সির গুদামে অভিযান, ৩ লাখ ৭৫ হাজার রিঙ্গিতের পণ্য জব্দ

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

মালয়েশিয়ার দেশীয় বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বিষয়ক মন্ত্রণালয় (কেপিডিএন) কুয়ালালামপুরের গোমবাক এলাকার কাম্পুং কেরদাসে একটি গোপন গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার ৫০০টি নকল ফুটবল জার্সি জব্দ করেছে। জব্দ করা জার্সিগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার রিঙ্গিত।

বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে ‘অপ তিরুয়ান’ অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একটি লোহার কারখানার পেছনে ভাড়া নেওয়া গুদামটি থেকে অনলাইনে নকল ফুটবল জার্সি বিক্রি করা হতো। অভিযান চলাকালে সেখানে ৩০–এর কোঠার এক ব্যক্তিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে নকল জার্সি বিক্রি করতে দেখা যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি জানান, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মাসে দুই হাজার রিঙ্গিত ভাড়ায় গুদামটি ব্যবহার করে আসছেন। এটি একই সঙ্গে পণ্য সংরক্ষণ, প্যাকেজিং এবং লাইভ বিক্রির স্টুডিও হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

কেপিডিএনের কুয়ালালামপুর পরিচালক মোহদ সাবরি সেমান জানান, জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের গোয়েন্দা নজরদারির পর এই অভিযান চালানো হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্ক মালিকদের প্রতিনিধিরাও সহায়তা করেন।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবল জার্সির চাহিদা বেড়েছে। এই সুযোগে কেউ যাতে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে নকল পণ্য বিক্রি করতে না পারে, সে জন্য নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ৩০–এর কোঠার তিনজন স্থানীয় ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ট্রেড মার্কস অ্যাক্ট ২০১৯–এর আওতায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নকল জার্সিগুলো কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে বিক্রি করা হতো। এর পেছনে আরও বড় কোনো সরবরাহ চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

কেপিডিএন জানিয়েছে, নকল পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অনুযায়ী, নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক জালিয়াতির দায়ে কোনো প্রতিষ্ঠান দোষী সাব্যস্ত হলে প্রতিটি নকল পণ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার রিঙ্গিত জরিমানার বিধান রয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
Translate »