কুয়ালালামপুর: ভোক্তাদের শ্রেণিভেদে বিদ্যুৎ বিলের সুরক্ষা আরও ন্যায্য ও লক্ষ্যভিত্তিক করতে ২০২৭ সাল থেকে ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয় জ্বালানি সমন্বয় (এএফএ) ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে মালয়েশিয়া সরকার।
উপপ্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি ফাদিল্লাহ ইউসুফ জানিয়েছেন, জ্বালানি রূপান্তর ও পানি রূপান্তর মন্ত্রণালয় এবং মালয়েশিয়ার জ্বালানি কমিশন (এসটি) যৌথভাবে এ বিষয়ে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তার মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য আরও ন্যায্য ও লক্ষ্যভিত্তিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এ সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য।
ফাদিল্লাহ বলেন, “এই সমীক্ষার প্রধান লক্ষ্য হলো ভোক্তাদের নিজ নিজ শ্রেণি অনুযায়ী সুরক্ষা দেওয়া, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় আরও ন্যায্য ও লক্ষ্যভিত্তিক হবে।”
জ্বালানি রূপান্তর ও পানি রূপান্তরবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বেও থাকা ফাদিল্লাহ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ( দেওয়ান রাকিয়াতে ) ২০২৭ সালের বাজেটসংক্রান্ত সরবরাহ বিলের নীতিগত পর্যায়ের বিতর্কের জবাব দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, উপদ্বীপ মালয়েশিয়ায় কিছু আবাসিক গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাজনিত বিঘ্ন অন্যতম।
সরকারের প্রস্তাবিত এএফএ ব্যবস্থা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টি এখনো পর্যালোচনাধীন। এর লক্ষ্য হলো বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের প্রয়োজন বিবেচনায় বিদ্যুৎ বিলের সুরক্ষাব্যবস্থাকে আরও ন্যায্য ও কার্যকর করা।
সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর প্রস্তাবিত ব্যবস্থার বাস্তবায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।