শিরোনাম :
মাদক-জুয়া বরদাশত করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আলবার্টার বিচ্ছিন্নতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, কানাডার সঙ্গেই থাকতে চান ৭৭ শতাংশ ভোটার আজ থেকে টানা পাঁচদিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু বাংলাদেশে কানাডার ৪৫০ লাখ ডলারের সহায়তার ঘোষণা বিরোধী দলের সহযোগিতা নেয়ার যোগ্যতা সরকারের নেই সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চাইল বাংলাদেশ রাশিয়াসংশ্লিষ্ট শুল্ক নিষেধাজ্ঞায় ছাড় দিলেন ট্রাম্প, স্বস্তিতে ভারত-চীন আগুন থেকে বাঁচতে টয়লেটে আশ্রয়, সেখানেই প্রাণ গেল ৪ জনের

আফসোসের আয়নায় জহুরুল, ‘ক্রিকেটটা ছিল সন্তানের মতো, অথচ যত্ন নিতে ভুল করেছি’

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশ থেকে দূরে, ইংল্যান্ডের মাটিতে দাঁড়িয়ে নিজের ক্রিকেট জীবনের দিকে ফিরে তাকিয়ে জহুরুল ইসলাম অমি অনুশোচনায় ভোগেন, পোড়েন আফসোসে। একসময় জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলা এই ব্যাটারের ক্যারিয়ারে আছে সাফল্য, স্বপ্ন, আক্ষেপ আর না-পাওয়ার দীর্ঘ ছায়া।

ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের পর রান, জাতীয় দলে পা রাখা, বড় দলের বিপক্ষে জয়—সবই ছিল। তবু কোথাও যেন গল্পটা থেমে গেছে প্রত্যাশার আগেই। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই অপূর্ণতার জায়গাগুলো এখন আরও স্পষ্ট তার কাছে। কী ভুল ছিল, কোথায় আরও ভালো করা যেত, কোন অভ্যাস ক্যারিয়ারকে পিছিয়ে দিয়েছে—সবকিছুর নির্মোহ হিসাব করেছেন তিনি। বাবা-মার সঙ্গে দেখা করতে ইংল্যান্ড থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। ফিরে আবার ব্যাট-বলও হাতে তুলেছেন। লিজেন্ডস প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এই মুহূর্তে যদি আপনাকে কেউ চিনতে চায়, আপনার সাক্ষাৎকারটা কেউ প্রথম পড়ছে, আপনি আপনাকে কীভাবে পরিচিত করবেন?
জহুরুল ইসলাম অমি: এই মুহূর্তে আমি বলতে পারি যে, প্রাথমিক পর্যায়ের একজন কোচ। ক্রিকেট নতুনভাবে শিখছি। ক্রিকেটের যে অভিজ্ঞতা এটা অবশ্যই আমাকে সাহায্য করে। কিন্তু কোচিংয়ের যে গভীরতা, তা আসলে কোচিং করতে করতে শিখতে হয়। আপনি যতই ক্রিকেট খেলেন কোচিংয়ের শিক্ষাটা আসলে কোচিং করতে করতেই শক্ত হয়।

কোথায়, কীভাবে কোচিং করাচ্ছেন, যদি বিস্তারিত বলতেন?
জহুরুল ইসলাম অমি:
আমাদের একাডেমির নাম হচ্ছে ফুলহাম ক্রিকেট একাডেমি। এটারই একটা শাখা হচ্ছে লন্ডন কাউন্টি ক্রিকেট একাডেমি। যেখানে একটু সিলেক্টেড প্লেয়াররা আসে এবং এখানকার কোচও সিলেক্টেড; মানে এখানে প্রায় সবারই আন্তর্জাতিক খেলার অভিজ্ঞতা আছে।

আমাদের একাডেমিতে ৩৫০টি বাচ্চা আছে। এটা ৮ থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত। এখানে আপনার আমাদের একাডেমি দুই ভাগে ভাগ করা। ফুলহাম ক্রিকেট একাডেমি আর একটা হচ্ছে লন্ডন কাউন্টি ক্রিকেট একাডেমি। লন্ডন কাউন্টি ক্রিকেট একাডেমিতে একটু ট্রায়াল দিয়ে আসতে হয়। ১৫০ টু ১৬০ জন লন্ডন কাউন্টি ক্রিকেট একাডেমিতে আছে। এদের মধ্যে আবার ৫০-৬০ জন কাউন্টির বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্লাব, সাসেক্সে, মিডলসেক্সে খেলছে।

আপনি কীভাবে ক্লাবটির সঙ্গে যুক্ত হলেন?
জহুরুল ইসলাম অমি:
আমি এই মুহূর্তে ডিপেন্ডেন্ট ভিসা ক্যারি করছি এখানে। ইংল্যান্ডের ভিসার মারপ্যাঁচ বুঝছেন? এখানে একটু ক্রিটিক্যাল। আপনি যদি ডিপেন্ডেন্ট হন আপনার ভিসাতে লেখা থাকে যে, স্পোর্টস পারসন নট এলাউড। আপনি যতক্ষণ ‘আইএলআর মানে ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন’ যেটা বলে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট না পাবেন ততক্ষণ আপনি কোচ হিসেবে কাজ করতে পারবেন না।

আমি যখন খেলতাম পাথওয়ে কোচিং করিয়েছি ডার্বিশায়ারে। এই মুহূর্তে আমি একটা প্রাইভেট একাডেমিতে আছি। এটা হচ্ছে পুরো ইংল্যান্ডের বিগেস্ট প্রাইভেট একাডেমি খেলোয়াড়দের সংখ্যার হিসেবে। প্রায় ১৮ বছর ধরে একাডেমিটা তৈরি করে রোহান কাপাডিয়া। একজন গুজরাটি মানুষ।

আমরা যখন খেলতাম তখন ভারতীয় একজন খেলোয়াড় ছিল অভিমন্যু। ও-ই আমাকে রেফার করে কোচিংয়ের জন্য। আমি কিছুদিন চিন্তা করলাম যে জবটা নিব কি নিব না। তখন আমি একটা ফাইভ স্টার হোটেলে ফ্রন্ট ডেস্ক অফিসে চাকরি করতাম। আমি যেহেতু কোচিংটা আগে করিয়েছি তাই ভাবছিলাম কোচিং রিলেটেড কাজেই যুক্ত হই। এভাবেই শেষ দেড় বছর ধরে আমি কোচিং করাচ্ছি আর কি।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
Translate »