European Union পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপে সম্মত হয়েছে।
সোমবার Brussels-এ অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অধিকৃত West Bank-এ ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Jean-Noel Barrot বলেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় এমন কিছু ইসরায়েলি সংগঠন ও ব্যক্তি রয়েছেন, যারা পশ্চিম তীরে “উগ্র ও সহিংস বসতি স্থাপন কার্যক্রমে” সহায়তা করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন আজ পশ্চিম তীরে সহিংস ও চরমপন্থী বসতি সম্প্রসারণে জড়িত প্রধান ইসরায়েলি সংগঠন এবং তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।”
তিনি আরও জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন “হামাসের শীর্ষ নেতাদের” বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেছে।
বারো বলেন, France এখনও এমন একটি সমাধানের পক্ষে কাজ করছে যেখানে Israel ও Palestine শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সহাবস্থান করবে।
অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান Kaja Kallas বলেন, “স্থবিরতা থেকে বেরিয়ে এখন পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে। চরমপন্থা ও সহিংসতার অবশ্যই পরিণতি থাকতে হবে।”
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা সংঘাত শুরুর পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে হত্যা, গ্রেপ্তার, বাড়িঘর ধ্বংস এবং অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের ঘটনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফিলিস্তিনি সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর ২০২৩ থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে অন্তত ১,১৫৫ ফিলিস্তিনি নিহত, প্রায় ১১,৭৫০ জন আহত এবং প্রায় ২২,০০০ জনকে আটক করা হয়েছে।