শিরোনাম :
রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইরানের নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে মক্কা জোটের বৈঠকের আসল উদ্দেশ্য কী, জানালো সৌদি আরব ইরানে আজ হামলা হচ্ছে না: ট্রাম্প অক্টোবরের ২৪ দিনে এল ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স বেসামরিক নাগরিক ও পবিত্র স্থাপনায় হুথিদের হামলার নিন্দা সৌদি আলেম পরিষদের প্যারিসে দাঙ্গার মধ্যে চুরি হলো মেসির স্বাক্ষর করা একাধিক স্মারক বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ৪ সমঝোতা স্মারক

ইমিগ্রেশনে দুর্নীতির অভিযোগ: মালয়েশিয়ায় ১০ কর্মকর্তাসহ ৩৩ জন রিমান্ডে

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগে ১০ জন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাসহ মোট ৩৩ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন।

শনিবার (১১ জুলাই) এমএসিসি জানায়, রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তা, সরকারি কর্মচারী, সাধারণ নাগরিক এবং বিদেশি রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ নথি ছাড়া বিদেশিদের মালয়েশিয়ায় অবস্থানের সুযোগ করে দেওয়া, সামাজিক ভিজিট পাসের অপব্যবহারের মাধ্যমে কাজের অনুমতি দেওয়া এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

এমএসিসির গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের কার্যালয় যৌথভাবে ‘অপ লেয়ার’, ‘অপ দালাং’, ‘অপ রেইডার’ ও ‘অপ জেনুইন’ নামে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে আটক করে।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, পুত্রজায়ায় ছয়জনকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। শাহ আলমে ১৪ জনকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চার দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। সেরেম্বানে পাঁচজনকে চার দিন, দুজনকে পাঁচ দিন এবং আরও দুজনকে এক দিনের রিমান্ডে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মেলাকার আয়ের কেরোহ আদালত চারজনকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন।

এমএসিসির একটি সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও আটজন নারী। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। চারটি পৃথক এমএসিসি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হওয়ার পর সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে তাদের আটক করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে তারা ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অন্তত ১০ জন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা ঘুষের বিনিময়ে ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি। এছাড়া নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে ভিসা, পাস ও পারমিট অনুমোদনেরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটার আবেদন অনুমোদনের জন্য মিথ্যা তথ্যসংবলিত নথি জমা দেওয়ার ঘটনাও তদন্তে এসেছে।

গত বছরের জুন থেকে শুরু হওয়া গোয়েন্দা অভিযানে চারটি অঙ্গরাজ্যে বিদেশিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মোট ৪৩ জনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। একই অভিযানে প্রথমে ৩৮ জনকে আটক করা হলেও প্রাথমিক তদন্ত শেষে পাঁচজনকে এমএসিসির জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
Translate »